• শুক্রবার ( দুপুর ১:১৪ )
  • ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইং

» মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবার তৈলবাজদের ধরুন !

প্রকাশিত: ০৬. নভেম্বর. ২০১৯ | বুধবার

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র/শিক্ষক-র কি দরকার? ওরা না থাক আমার চেয়ার ঠিক থাকলেই আমি খুশি, আমি আমার চেয়ার চাই। নো টেনশন স্বাধীনতা বিরোধী, শিবির, বিএনপি-র কথা বল্লে তো আমি পাক্কা আওয়ামী লীগার। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এজাতীয় মনোভাবের কিছু ক্ষমতা লোভী লোক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রযাত্রায় সহযোগীতার পরিবর্তে রীতিমতো রোডব্লকের সৃষ্টি করছে।এখনই এসব তৈলবাজদের চিহৃত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া উচিৎ।
আসুন চলমান ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ঘুরে আসি।গতকালকের অনউচিৎ ঘটনার পর ভিসি ম্যাডাম বল্লেন আজ “ছাত্রলীগ গনঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমাকে রক্ষা করেছে।” রাতে একটি টেলিভিশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি উত্তর দিলেন “ছাত্রলীগ যা করেছে সঠিক করেছে।”সন্চালক বল্লেন তাহলে ছাত্র/ছাত্রীদের এবং শিক্ষক দের উপর ছাত্রলীগ যে হামলা করলো তার সবই ঠিক ছিলো? উত্তরে তিনি বল্লেন “অবশ্যই ঠিক ছিলো। “আমি বলতে চাই এই ভিসির যোগ্যতা টা কি? কিভাবে তিনি ভিসি হলেন? ছাত্রলীগের কিছু সংখ্যক সদস্যকে লেলিয়ে দিয়ে ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করে নিজের সন্তানতুল্ল্য ছাত্র/ছাত্রীদের এবং সহকর্মীদের উপর হামলা করে যিনি চেয়ার রক্ষা করতে চান তিনি আর যাই হোক ভালো শিক্ষক বা প্রশাসক হতে পারেন না বলে মানুষ মনে করে। সারাদেশের মানুষ ছাত্রলীগের নামে ছিছি করবে, দোষ পড়বে আওয়ামীলীগের ঘাড়ে,সরকার বিব্রত হবে আর তিনি মহাশয় জামাত বিএনপি শিবির মওকার পতাকা তুলে মহাসুখে গদিতে থাকবেন এটা কি কারো বুঝতে বাকি আছে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যোগ্য বিবেচনা করে যাদেরকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান করছেন তাদের অনেকরই যোগ্যতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আছে। লক্ষ্যকরলে দেখা যায় যারা নিজের স্বার্থ হাসিলে বেশি মনোযোগী তারা ছাত্রলীগকে নানা ভাবে ব্যাবহার করছে। এছাড়া তারা কথায়-কথায় রাজনৈতিক বক্তব্য দেন। যদিও সাংবিধানিক ভাবে সতন্ত্র পদে থেকে তাদের দলীয় কথাবার্তা না বলাই ভালো। আর একটি বিষয় হলো তাদের চেয়ারের রক্ষা কবজ হিসেবে ব্যাহার করে থাকে রাজনৈতিক বক্তব্যকে। তা হলো কথায় কথায় জামাত বিএনপি শিবির বলে নিজেকে খাঁটি আওয়ামী লীগ প্রমান করা। একটু জরীপ করলে দেখা যাবে গত ১২ বছরে এজাতীয় বক্তব্য যারা বেশি বেশি দিয়েছে তারাই কোননা কোন ঘটনার জন্ম দিয়েছে। দেশে এখন যে অবস্থা তাতে এখন আর এই অভিনয় বোধকরি আর বেশিদিন চলবেনা।কারন আপনারা এখনো মনে হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আচরণে কিছু বুঝে উঠতে পারছেন না! উনি অনুপ্রবেশকারী অনুসরণ করে ব্যাবস্থা নিচ্ছেন,দলীয় লোকদের ছাড় দিচ্ছেননা, তখন আপনারাও সাবধান হয়ে যানা।যারা কথায় কথায় জামাত বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী বক্তব্য দিয়ে নিজেকে খাঁটি আওয়ামেলীগ প্রমান করতে চান এবং ক্ষেত্র বিশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়ে গেছেন এবং বিভিন্ন জায়গাতে সফল হয়েছেন এবার তারা সাবধান হয়ে যান। আপনি যদি সত্যিকারের শিক্ষক হতেন ছাত্ররা আপনার জন্য জীবন দিয়ে দেবে অথচ কিছু সংখ্যক ছাত্রকে অনৈতিক ভাবে নিজ স্বার্থে ব্যাবহার করে অধিকাংশ ছাত্রদের উপর লেলিয়ে দিচ্ছেন। যদি কেউ মারা যায় তাহলে কোন না কোন বাবা মায়ের কোল খালি হবে। আপনাদের তাতে কি? আপনার চেয়ার তো ঠিক থাকবে। হায়রে ক্ষমতা মাতৃরুপি শিক্ষক ও দানবের রুপ ধারন করে, এরা শিক্ষক না দানব?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার নিকট আমার আকুল অনুরোধ এই সব লোক আপনার কাছে তাদের নিজেদের স্বার্থে চেয়ার দখলের স্বার্থে বহুরুপী অভিনয় করছে,এরা আপনার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজ না করে পিছিয়ে দিচ্ছে! আর কৌশলে ছাত্রলীগকে তাদের ক্ষমতার হাতিয়ার বানাচ্ছে।মানষ ভাবছে, দোষ আওয়ামীলীগের। আপনি এদেরকে চিন্হিত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করুন, তানাহলে সব অর্জন বিফলে যাবে।স্বাধীনতার স্বাধ থেকে জনগন বন্চিত গব,যোগ্যলোক দেশ ও সমাজ তেকে হারিয়ে যাবে। আমরা এসব তৈলবাজদের চাই না। এদেরকে সমাজে চিহৃত করে আপনার বিশ্বাস ভঙ্গের বিচার করুন।

লেখকঃ
জি এম কামরুল_হাসান।
রাজনৈতিক ভাষয়কর ও কলাম লেখক।

ফেসবুক থেকে কমেন্ট করুন।
Share Button

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১২২ বার

Share Button